Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

সেবা সমূহঃ-

০১। তথ্য সেবা

০২। রেফারেন্স সেবা

০৩। শিক্ষা

০৪। বিনোদন

০৫। অনুপ্রেরণা

০৬। বেসরকারি গ্রন্থাগার তালিকাভূক্তিকরণ, পুনর্গঠন ও উন্নয়নের দায়িত্ব পালন

 

ভিশনঃ

1.      গণগ্রন্থাগার ব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা।

2.     ডিজিটাল গণগ্রন্থাগার ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

3.     দেশের জনসাধারণের পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি করা।

4.     দেশের সংস্কৃতি ও শিক্ষার মানোন্নয়ন করা।

 

মিশনঃ

1.      মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ শিশু কিশোরদের উপযোগী পর্যাপ্ত গ্রন্থসহ সমন্বিত গ্রন্থ সংগ্রহ, সংগঠন, বিন্যাস ও বিতরণ

2.     সম্প্রসারণ মূলক সেবা যেমন- বুক রিভিউ, বই পাঠ প্রতিযোগীতা, জাতীয় দিবসসমূহ পালন, বিভিন্ন প্রতিযোগীতা আয়োজন করতঃ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করা

3.    পাঠকদের রেফারেন্স ও উপদেশমূলক সেবা দেয়াৎ

4.      সর্বসত্মরের জনসাধারণের পাঠাভ্যাস সৃষ্টি ও উন্নয়ন

5.     বিশেষজ্ঞ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গবেষণা এবং রেফান্সে সেবা দেয়া

6.     প্রতিবন্ধীদের বিশেষ সেবা দেয়া

7.     পাঠকদের পারস্পরিক ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন পাঠ সামগ্রীর প্রয়োজনীয় ও যথোপযুক্ত কম্পিউটারভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থা/ডাটাবেস তৈরি করা

8.     তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধাদি (ইন্টারনেট,ই-মেইল, ওয়েবসাইট) পাঠকদের জন্য নিশ্চিত করা।

9.     ডিজিটাল গ্রন্থাগার সেবা প্রবর্তন করা।

 

ক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলীঃ

 

1.      সর্বস্তরের জনগণের জন্য পাঠ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে মানব সম্পদ উন্নয়ন

2.      গ্রন্থাগারে ক) সাধারণ পাঠকক্ষ (খ) মহিলাদের জন্য বিশেষ পাঠকক্ষ (গ) সাময়িকী কক্ষ (ঘ) গবেষণা কক্ষ ইত্যাদি সুবিধা  নিশ্চিত করা

3.    আধুনিক তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির (আই টি) যেমন: ইন্টানেট,ফ্যাক্স, ই-মেইল, ওয়েব সাইট ইত্যাদি সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা।

4.      পাঠ্য ও রেফারেন্স বই এর উপর গুরম্নত্বারোপ করে শিশু সাহিত্যসহ  জ্ঞানের সকল শাখার উপর একটি সুষম ও সমৃদ্ধ পুস্তক সংগ্রহ গড়ে তোলা।

5.     পাঠচক্র, আলোচনা সভা, গ্রন্থ প্রদর্শনী, বইপাঠ প্রতিযোগীতা ইত্যাদির মাধ্যমে সাধারণ জনগণের পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি এবং জ্ঞান চর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তি সংক্রামত্ম কাজে উৎসাহ যোগানোর লক্ষ্যই গণগ্রন্থাগার কে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসাবে পরিচালনা করা।

6.     বিভিন্ন জাতীয় দিবস যেমন: স্বাধীনতা দিসব, বিজয় দিবস, আমত্মর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, জাতীয় শিশুদিবস, জাতীয় শোক দিবস, ১লা বৈশাখ ইত্যাদিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গ্রম্নপের রচনা পাঠপ্রতিযোগীতা, হাতের সুন্দর লেখা প্রতিযোগীতা ইত্যাদি আয়োজন করা।

7.     বেসরকারি  গণগ্রন্থাগারগুলোর পুনর্গঠন ও উন্নয়নের দায়িত্ব পালন

8.     সকল শ্রেণীর জনগণকে রেফারেন্স ও পরামর্শসেবা প্রদান।

9.     সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং শিক্ষার্থী ও গবেষকদের রেফারেন্স ও গবেষণা সেবা প্রদান।

10.সর্বসত্মরের শিক্ষা কার্যক্রমকে পরিপূরক সহায়তা পদ্রানের মাধ্যমে মানব সম্পদ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন।

11.  গ্রণগ্রন্থাগারের  মাধ্যমে দেশের সর্বসত্মরের জনগণের জীবনব্যাপী অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি।

12.জনগণের মধ্যে নাগরিক সচেতনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে গণতন্ত্রের বিকাশ সাধনে  সহায়তা প্রদান।

13.প্রতিটি গণগ্রন্থাগারে পৃথকভাবে শিশু শাখা সংগঠন ও পরিচালনা এবং শিশু-কিশোরদের মধ্যে পাঠাভ্যান বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের মানসিক গঠন ও জ্ঞানের পরিধি সম্প্রসারণে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন।